রেনশ ঝড়ে অস্ট্রেলিয়ার বিশাল পুঁজি
দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি জিতে তিন ম্যাচ সিরিজে সমতা ফেরাতে বাংলাদেশকে ১৯৭ রান করতে হবে। চট্টগ্রামে আগে ব্যাটিং করতে নেমে অস্ট্রেলিয়া ৫ উইকেটে ১৯৬ রান করেছে। বাংলাদেশের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ দলীয় রান পেয়েছে অস্ট্রেলিয়া। এর আগে অস্ট্রেলিয়ার সর্বোচ্চ রান ছিল ৩ উইকেটে ১৫৮।
রেনশ গড়ে দিয়েছেন বিশাল পার্থক্য। বাঁহাতি ব্যাটসম্যান ৫২ বলে ৪ চার ও ৫ ছক্কায় ৮৯ রানের দারুণ ইনিংস খেলেন। ৫ ছক্কার ৪টিই রেনশ মেরেছেন লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেনকে। এর মধ্যে ১৩তম ওভারেই রিশাদকে পরপর তিন বলে তিন ছক্কা হাঁকান এই হার্ডহিটার ব্যাটসম্যান।
রেনশকে নিয়ে চতুর্থ উইকেটে ৫০ বলে ৯৭ রানের জুটি গড়েন টিম ডেভিড। ইনিংসের মাঝে ঝড় তোলা শুরু হয় টিম ডেভিডের ব্যাট থেকেই। পাঁচে নামা এই ব্যাটসম্যান ২৬ বলে ৪৫ রান করে সাকলাইনের বলে ডিপ পয়েন্টে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন। ২ চার ও ৪ ছক্কায় সাজানো ছিল তার ইনিংস।
মূলত এই দুই ব্যাটসম্যানের তোপেই পুুড়েছেন বাংলাদেশের বোলাররা। উইকেট বেশ ভালো থাকায় রান হয়েছে অনায়েসে। শুরুর তিন ব্যাটসম্যানকে বাংলাদেশ বেশিদূর যেতে দেয়নি। নাসুমকে প্রথম ওভারে একটি চার ও একটি ছক্কা উড়ানো জস ইংলিশ থেমে যান ১১ রানে। নাসুম নিজের দ্বিতীয় ওভারে তাকে এলবিডব্লিউ করেন।
নতুন বলে সাকলাইন দ্বিতীয় ওভার করতে এসে মার্শের তোপে পড়েন। তিনটি চার মারেন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক। সাকলাইন খরচ করেন ১৫ রানে। অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ককে ফেরানোর দায়িত্ব নেন মোস্তাফিজুর রহমান। বাঁহাতি পেসারের বল উড়াতে গিয়ে মিড উইকেটে ক্যাচ দেন মার্শ। মাঝে নাহিদ রানা নিজের প্রথম ওভারে তুলে নেন ১ রান করা কোনোলির উইকেট। স্লিপে দারুণ ক্যাচ নেন সাইফ।
৪৪ রানে ৩ উইকেট হারানো অস্ট্রেলিয়া চতুর্থ উইকেটে প্রতি আক্রমণে গিয়ে রান তুলে সফলতার মুখ দেখে। ডেভিড ও রেনশ আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে দেন জবাব। তবে শেষ দিকে বাংলাদেশ আবার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়। ডেভিডের পর নিখিল চৌধুরীর উইকেট তুলে রানের চাকায় লাগাম টানে।
তবে রেনশ ছিলেন দারুণ। শেষ পর্যন্ত ক্রিজে থেকে অস্ট্রেলিয়ার রান দুইশর কাছাকাছি নিয়ে যান। ১৩ রান তুলে ডেভিসও রাখেন অবদান।
নাসুম আহমেদ ২৭ রানে ২ উইকেট নিয়ে ছিলেন বাংলাদেশের সেরা। ১টি করে উইকেট নেন সাকলাইন, নাহিদ ও মোস্তাফিজুর।
প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ব্যাটিং যুৎসই না হওয়ায় ৪ উইকেটে ম্যাচ হেরেছিল বাংলাদেশ। আজ ব্যাটসম্যানদের কঠিন পরীক্ষা দিতে হবে সিরিজে সমতা ফেরাতে।
ওএফ

আপনার মূল্যবান মতামত দিন: