পেশাদারিত্বের পথে দেশের অ্যাথলেটিক্স
ডাটাবেজ ও আর্কাইভের জন্য নতুন ওয়েবসাইট তৈরী করেছে। সেই সঙ্গে নারী অ্যাথলেটদের জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে সেফগার্ডিং (সুরক্ষানীতি)। শনিবার ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশনের সভাপতি মেজর জেনারেল (অব.) ড. মো. নাঈম আশফাক চৌধুরী।
দক্ষিণ এশিয় গন্ডিতে এক সময় নির্দিধায় স্বর্ণ পদক জিতে আনতেন দেশের অ্যাথলেটরা। তবে তাদের সেই গৌরবময় অতীতের কোন রেকর্ড নেই। মাঝে সাঝে অনেক নারী অ্যাথলেট নিগৃহীত হতেন। কিন্তু লজ্জা-ভয়ে সেসব কথা বলতে পারতেন না কাউকে। এসব এখন অতীত করে দিতে যাচ্ছে অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশনের বর্তমান অ্যাডহক কমিটি।
ডাটাবেজ ও আর্কাইভের জন্য নতুন ওয়েবসাইট তৈরী করেছে। সেই সঙ্গে নারী অ্যাথলেটদের জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে সেফগার্ডিং (সুরক্ষানীতি)। শনিবার ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশনের সভাপতি মেজর জেনারেল (অব.) ড. মো. নাঈম আশফাক চৌধুরী।
মজিবুর রহমান মল্লিক, কিতাব আলী, প্রয়াত শাহ আলম, মিলজার হোসেন, মিজানুর রহমান, মো. শাহ আলম, ইকবাল হোসেন, গোলাম আম্বিয়া, প্রয়াত মাহবুব আলমের মতো অ্যাথলেটরা দক্ষিণ এশিয়ান গেমস মাতিয়ে পদক জিতেছেন। কিন্তু তাদের সেসব কীর্তির কোন তথ্য নেই কোথাও। জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপে কে কতবার দ্রুততম মানব কিংবা মানবী হয়েছেন- তারও কোন তথ্য নেই ফেডারেশনের কাছে। তাই এবার সেই তথ্য সংরক্ষনের উদ্যোগ নিয়েছেন নতুন সভাপতি। ওয়েবসাইটে প্রত্যেক অ্যাথলেটের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের সব তথ্যই নাকি পাওয়া যাবে এখানে। নাঈম আশফাক চৌধুরীর কথা, ‘পুরাতন ও নতুন অ্যাথলেটদের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের যাবতীয় তথ্য থাকবে এই সাইটে। আশাকরি কখনোই এই সাইট বন্ধ হবে না। কারন যাবতীয় খরচা দেবে আন্তর্জাতিক অ্যামেচার অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশন (আইএএএফ)।’
ট্র্যাকে খেলতে এসে অনেক নারী অ্যাথলেট নানা সমস্যার সম্মুখিন হন। কেউ নিগৃহীত হন। আবার কেউ কেউ অশালীন আচরনের শিকারও হন। কিন্তু লোক-লজ্জার ভয়ে তারা এসব কথা কাউকে বলতে পারতেন না। নারী অ্যাথলেটদের এসব সমস্যার সমাধানে এবার সেফগার্ডিং বা সুরক্ষানীতি তৈরী করেছে ফেডারেশন। যার প্রধান হিসাবে কাজ করবেন প্রফেসর ড. ওয়াজিদা বানু। নারী অ্যাথলেটরা তাদের সকল নিগৃহীত সমস্যার নালিশ করতে পারবেন। সভাপতি আরও বলেন, ‘সুরক্ষানীতির প্রধান হিসাবে কাজ করবেন প্রফেসর ড. ওয়াজিদা বানু। যদি তার সমাধান অ্যাথলেটের মনপুত না হয়, তাহলে সেটা পুলিশের কাছে রেফার করা হবে।’
ওএফ

আপনার মূল্যবান মতামত দিন: