রানার্সআপ হয়েও ৪০৬ কোটি টাকা পেল মেসির আর্জেন্টিনা
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের শিরোপা জিততে না পারলেও আর্থিক দিক থেকে বড় অঙ্কের পুরস্কার পেয়েছে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা। ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হেরে রানার্সআপ হওয়া আলবিসেলেস্তেরা ফিফার কাছ থেকে পেয়েছে ৩ কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলার প্রাইজমানি, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪০৬ কোটি টাকার সমান।
অন্যদিকে, বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন পেয়েছে রেকর্ড ৫ কোটি মার্কিন ডলার বা প্রায় ৬১৬ কোটি টাকা। ১৯৬৬ সালের পর দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জিতে মাঠের সাফল্যের পাশাপাশি আর্থিক পুরস্কারেও শীর্ষে রয়েছে স্প্যানিশরা।
শুধু ফাইনালিস্ট দুই দলই নয়, টুর্নামেন্টের তৃতীয় ও চতুর্থ স্থান অর্জনকারী দলগুলোর জন্যও ছিল বড় অঙ্কের প্রাইজমানি। তৃতীয় হওয়া ইংল্যান্ড পেয়েছে ২ কোটি ৯০ লাখ মার্কিন ডলার (প্রায় ৩৫৭ কোটি টাকা)। আর চতুর্থ স্থান পাওয়া ফ্রান্সের প্রাপ্তি ২ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৩৩ কোটি টাকা।
৪৮ দলের এই বিশ্বকাপ উপলক্ষে ফিফা মোট ৮৭ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলারের প্রাইজ ফান্ড ঘোষণা করেছিল। বিশ্বকাপ ইতিহাসে এটিই সর্বোচ্চ প্রাইজমানি। ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপের তুলনায় এবারের মোট পুরস্কারের অর্থ প্রায় ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে।
এবারের বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া প্রতিটি দলই প্রস্তুতি ও অংশগ্রহণ বাবদ ন্যূনতম ১ কোটি ২৫ লাখ মার্কিন ডলার পেয়েছে। এরপর গ্রুপ পর্ব থেকে নকআউটের প্রতিটি ধাপ পেরোনোর সঙ্গে সঙ্গে পারফরম্যান্সভিত্তিক অতিরিক্ত প্রাইজমানি যোগ হয়েছে। ফলে যে দল যত দূর এগিয়েছে, তাদের আর্থিক প্রাপ্তিও তত বেড়েছে।
তবে ফিফার দেওয়া এই অর্থ সরাসরি খেলোয়াড়দের হাতে যায় না। প্রাইজমানি সংশ্লিষ্ট দেশের ফুটবল ফেডারেশনের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে প্রতিটি ফেডারেশন নিজেদের নীতিমালা অনুযায়ী খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ, বোনাস এবং ফুটবল উন্নয়ন কার্যক্রমে সেই অর্থ বণ্টন করে।
ওএফ

আপনার মূল্যবান মতামত দিন: