‘ভবিষ্যতে বৃত্তির ক্ষেত্রে ক্রীড়াবিদদের সঙ্গে সমঝোতা সই হবে’‘
‘শায়রা আরেফিনের কর্মকা-ে আমরা খুবই হতাশ। তাই ভবিষ্যতে ক্রীড়াবিদদের বৃত্তি দেওয়র ক্ষেত্রে একটি সমঝোতা স্মারকে সই (এমওইউ) করাতে হবে। নইলে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটতে পারে।’
আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির (আইওসি) বৃত্তি নিয়ে খেলেছেন। কিন্তু এখন মাঝপথে রণেভঙ্গ দিতে চাইছেন শুটার শায়রা আরেফিন। বুধবার বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনে (বিওএ) উপস্থিত হয়ে তিনি এমন ইচ্ছার কথা জানান। বৃত্তি পাওয়া একজন ক্রীড়াবিদের এমন রণেভঙ্গে স্বভাবতই হতাশ বিওএ। তাই এবার ভিন্ন পথে হাটতে চাইছে তারা।
এ বিষয়ে বিওএর মহাসচিব জোবায়েদুর রহমান বলেন, ‘শায়রা আরেফিনের কর্মকা-ে আমরা খুবই হতাশ। তাই ভবিষ্যতে ক্রীড়াবিদদের বৃত্তি দেওয়র ক্ষেত্রে একটি সমঝোতা স্মারকে সই (এমওইউ) করাতে হবে। নইলে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটতে পারে।’
আরেক শুটার কামরুন নাহারকে এক বছর নিষিদ্ধ করেছে শুটিং ফেডারেশন। যা নিয়ে হইচই পড়ে গেছে ক্রীড়াঙ্গণে। কামরুন নাহারের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়টি সুরাহা করতে শুটিং ফেডারেশনের সাধারন সম্পাদক আলেয়া ফেরদৌসের সঙ্গে বুধবার সভা ডেকেছিল বিওএ। কিন্তু আলেয়া ফেরদৌস না আসায় সভা ভেস্তে গেছে। তবে কামরুন নাহার এসেছিলেন। ফেডারেশনের পক্ষে এসেছিলেন কোচ শারমিন আক্তার। ফলে কোন সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ হয়েছে সভা।
বিওএর মহাসচিব জোবায়েদুর রহমানের কথা, ‘আমার মনে হয় আলেয়া ফেরদৌস সভা এড়িয়ে যেতে চাইছেন। আমরা পরবর্তীতে আবার বিষয়টি নিয়ে বসতে চাই। যদি তা না হয়, তাহলে ফেডারেশনের অভিবাবক জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের দ্বারস্ত হতেই হবে আমাদের। এর কোন বিকল্প নেই।’
ওএফ

আপনার মূল্যবান মতামত দিন: