[email protected] বৃহঃস্পতিবার, ৪ঠা জুন ২০২৬
২১শে জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

হায়দরাবাদকে উড়িয়ে চ্যাম্পিয়ন পেশোয়ার জালমি

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: ০৪ মে ২০২৬ ০৮:০৫ এএম

পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) একবারই চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল পেশোয়ার জালমি। সেটাও ৯ বছর আগে, ২০১৭ সালের আসরে। পরের তিন আসরে টানা ফাইনালে উঠলেও আর শিরোপা ছোঁয়া হয়নি ফ্র্যাঞ্চাইজিটির। অবশেষে ৯ বছর পর পিএসএলের ১১তম আসরে এসে দীর্ঘদিনের ট্রফিখরা কাটাল বাবর আজমের দল।

রোববার (৩ মে) লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে নবাগত ফ্র্যাঞ্চাইজি হায়দরাবাদ কিংসমেনকে ৫ উইকেটে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপা জিতল পেশোয়ার জালমি। আগে ব্যাট করে ১৮ ওভারে মাত্র ১২৯ রানে অলআউট হয়ে যায় হায়দরাবাদ। জবাবে ২৮ বল বাকি থাকতেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় পেশোয়ার।

ইনিংসের মাঝপথেই জয়ের পথটা সহজ করে রেখেছিল পেশোয়ারের বোলাররা। অস্ট্রেলিয়ান পেসার অ্যারন হার্ডি ৪ ওভারে ২৭ রানের বিনিময়ে নেন ৪ উইকেট। দুর্দান্ত বোলিং করেছেন বাংলাদেশের ফাস্ট বোলার নাহিদ রানাও। ফাইনাল খেলতে পাকিস্তানে উড়ে গিয়ে ৪ ওভারে ২২ রানের বিনিময়ে এই গতিতারকা নিয়েছেন ২ উইকেট।

তৃণমূল থেকে প্রতিভা অন্বেষণ ও ক্রীড়া কূটনীতিতে জোর দিচ্ছে সরকার
হার্ডি-রানাদের দুর্দান্ত বোলিংয়ের সামনে মুখ থুবডে পড়ে ১২ বল আগেই ১২৯ রানে অলআউট হয়ে যায় হায়দরাবাদ। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৫৪ রান করেন সাইম আইয়ুব। তার ৫০ বলের ইনিংসে ছিল ৫টি চার ও ২টি ছক্কার মার। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২০ রান করেন অধিনায়ক মার্নাস লাবুশেন।

নাহিদ রানা প্রথমবার বোলিংয়ে আসেন ষষ্ঠ ওভারে। এর আগে প্রথম ৫ ওভারে ২ উইকেট হারালেও ৫৬ রান তুলে ফেলেছিল হায়দরাবাদ। নাহিদ রানার প্রথম ওভার শেষে স্কোরে যোগ হয় আরও ১৩ রান। সুফিয়ান মুকিমের করা পরের ওভারে ৪ বলের মধ্যে উসমান খান ও ইরফান খানের বিদায়ে চাপে পড়ে যায় হায়দরাবাদ।

নাহিদ রানা নিজের দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলে অস্ট্রেলীয় তারকা গ্লেন ম্যাক্সওয়েলকে গোল্ডেন ডাক উপহার দিয়ে চাপটা আরও বাড়িয়ে দেন। শর্ট বলে পুল করতে গিয়ে মিড অনে ক্যাচ দিয়েছেন ম্যাক্সওয়েল। ওভারটার পঞ্চম বলে কুশল পেরেরাও রানআউট। তাতে ৭৩/৬ হয়ে যায় হায়দরাবাদের স্কোর।

ওভারটায় মাত্র ৫ রান দেওয়া নাহিদ রানা আবার বোলিংয়ে আসেন ১৪তম ওভারে। এর আগেই ৭ উইকেট হারিয়ে ফেলা হায়দরাবাদের ব্যাটসম্যানরা একটি রানও নিতে পারেননি নাহিদ রানার দুর্দান্ত গতির সামনে। ওভারের পঞ্চম বলে হুনাইন শাহকে বোল্ড করে দ্বিতীয় উইকেটটি পেয়ে যান নাহিদ রানা। মেডেন উইকেট নেওয়া নাহিদ রানা ১৭তম ওভারে দেন ৪ রান।

রান তাড়ায় প্রথম ওভারেই দুই ওপেনার মোহাম্মদ হারিস (৬) ও বাবর আজমকে (০) হারায় পেশোয়ার। এরপর কুশল মেন্ডিস (৯) ও মিচেল ব্রেসওয়েল (৪) দ্রুত ফিরলে ৪০ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে তারা। তবে পঞ্চম উইকেটে অ্যারন হার্ডি ও আবদুল সামাদের ৮৫ রানের জুটিতে সব শঙ্কা দূর হয়ে যায়।

জয় থেকে ৫ রান দূরে থাকতে সামাদ ৩৪ বলে ৩ চার ও ৪ ছক্কায় ৪৮ রান করে বিদায় নিলেও দলকে জিতিয়েই মাঠ ছাড়েন হার্ডি। এই পেস বোলিং অলরাউন্ডারের ৩৯ বলে ৯ বাউন্ডারিতে অপরাজিত ৫৬ রানে ভর করে ১৫.২ ওভারেই জয় ছিনিয়ে নিয়েই উল্লাসে মাতে পেশোয়ারের ডাগআউট।

ওএফ

আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

সম্পর্কিত খবর