সৌম্য-তানজিদের ব্যাটে হোয়াইটওয়াশ এড়াল বাংলাদেশ
প্রথম এবং দ্বিতীয় ওয়ানডেতে হেরে সিরিজটা আগেই হাতছাড়া হয়ে গিয়েছিল বাংলাদেশের। আজ (১১ জুন) তৃতীয় ওয়ানডেতে টাইগারদের লক্ষ্য ছিল হোয়াইটওয়াশ এড়ানো। আর সেই লক্ষ্য ভালোভাবেই পেরিয়ে গেছে মেহেদী হাসান মিরাজের দল।
বল হাতে ব্যাটারদের কাজটা অনেকটাই সহজ করে দিয়েছিলেন শরিফুল, তাসকিন এবং তানভীররা। ব্যাট হাতে বাকি কাজটা সারেন তানজিদ হাসান তামিম এবং সৌম্য সরকার। দুজনেই পেয়েছেন ফিফটির দেখা। আর তাতেই সহজ এক জয় পায় বাংলাদেশ।
হারারেতে সিরিজের তৃতীয় এবং শেষ ওয়ানডেতে জিম্বাবুয়েকে ৭ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশ। শুরুতে ব্যাট করে ১৯৯ রানে অলআউট হয় জিম্বাবুয়ে। জবাব দিতে নেমে ১৪ ওভার হাতে রেখে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ।
২০০ রান তাড়ায় ওপেনিং জুটিতে দারুণ শুরু পায় বাংলাদেশ। এক্ষেত্রে ভাগ্যও সহায় ছিল অনেকটা। একে তো সিরিজ জেতায় রিচার্ড এনগারাভা এবং ব্লেসিং মুজারাবানিকে বিশ্রাম দিয়েছিল জিম্বাবুয়ে। দ্বিতীয়ত, বাংলাদেশি ওপেনারদের ৪-৫টি ক্যাচ ফেলেছে রোডেশিয়ানরা।
ভাগ্যের ওপর ভোর করে বাংলাদেশের দুই ওপেনার মিলে গড়েন ১৫১ রানের জুটি। ফিফটি পান দুজনই। ৮২ বলে ৬৯ রান করে সৌম্য ফিরলে ভাঙে সেই জুটি। আরেক ওপেনার তানজিদ ফেরেন সেঞ্চুরি থেকে ৬ এবং দলের জয় থেকে ৩ রান দূরে থাকতে।
তবে এই ৩ রান নিতে এসে আউট হন তাওহীদ হৃদয়ও। তবে সহজ জয় নিয়েই মাঠ ছেড়েছে স্বাগতিকরা।
এর আগে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই ধুকতে থাকে জিম্বাবুয়ে। দলীয় ২৭ রানে প্রথম ৩ উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। চতুর্থ উইকেটে ৫১ রানের জুটি গড়েন ইনোসেন্ট কায়া এবং ওয়েসলি মাধেভেরে।
দলীয় ৭৮ রানে কায়ার বিদায়ের পর ৩০ রানের ব্যবধানে আরও দুই উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে। সপ্তম উইকেটে ব্র্যাড ইভান্সকে নিয়ে হাল ধরেন মাধেভেরে। মাধেভেরে দলীয় সর্বোচ্চ ৭৫ রান করে বিদায় নেন। শেষদিকে ইভান্সের ৪৩ বলে ৫০ রানের লড়াকু ইনিংসে ১৯৯ রানের সংগ্রহ পায় জিম্বাবুয়ে।
বাংলাদেশের হয়ে ৪ উইকেট নিয়েছেন শরিফুল ইসলাম। দুটো করে উইকেট নিয়েছেন তাসকিন আহমেদ এবং সাইফউদ্দিন।
ওএফ

আপনার মূল্যবান মতামত দিন: