অস্ট্রেলিয়াকে মাত্র ১১০ রানের টার্গেট দিলো বাংলাদেশ
হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর ম্যাচে বাংলাদেশের ব্যাটিং স্রেফ হতাশ করলো। এলোমেলো ব্যাটিংয়ে স্কোরবোর্ডে পুঁজি মাত্র ১০৯ রান। ৮ উইকেট হারিয়ে এই রান করেছে স্বাগতিকরা।
ইনিংসের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ব্যাটিং বিপর্যয় ডুবিয়েছে বাংলাদেশকে। প্রত্যেক ব্যাটসম্যান উইকেটে গিয়েছেন আর ফিরেছেন। ছিল না কোনো দায়িত্ববোধ। ছিল না লড়াই করার মানসিকতা। শট খেলেছেন অনায়েসে। তাতে ডেকেছেন বিপদ। উইকেটের বৃষ্টিতে স্কোরবোর্ড যেন থমকে গিয়েছিল। রান করা নয়, উইকেট হারানোর প্রতিযোগিতাই যেন করছিলেন ব্যাটসম্যানরা।
স্রোতের বিপরীতে দাঁড়িয়ে অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয় যা করার করেছেন। ৫১ বলে ৩টি চার ও ছক্কায় ৬১ রান করেন তাওহীদ। এছাড়া রিশাদ হোসেন কেবল ১৬ রান করেন। বাকিরা কেউ দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছতে পারেননি।
প্রথম দুই টি-টোয়েন্টি জিতে অস্ট্রেলিয়া এরই মধ্যে নিশ্চিত করেছে সিরিজ। আজ জিতলে তারা হোয়াইটওয়াশ করবে বাংলাদেশকে। বোলাররা নিজেদের কাজটা এগিয়ে রেখেছেন। এখন ব্যাটসম্যানদের বাকি কাজ শেষ করার পালা।
চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। কিন্তু সিদ্ধান্তটা যে ভুল ছিল ব্যাটসম্যানরা টের পাইয়ে দেয় শুরুতেই।
পাওয়ার প্লে’র ৬ ওভারে স্কোরবোর্ডে রান মাত্র ২২। উইকেট নেই ৩টি। দলের অর্ধেক ব্যাটসম্যান সাজঘরে ফেরেন ৩৬ রানে। তানজিদ (৫), সাইফ (১), পারভেজ (১), নুরুল হাসান (৬) ও শামীম (০) উইকেটে গিয়েছেন আর ফিরেছেন।
ষষ্ঠ উইকেটে খানিকটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন তাওহীদ ও রিশাদ। ২০ বলে ২৬ রান যোগ করেন তারা। নিখিল চৌধুরীর বলে রিশাদ ফিরতি ক্যাচ দিয়ে ফিরলে বাংলাদেশ আবার বিপদে পড়ে।
সেখান থেকে তাওহীদের একার লড়াইয়ে বাংলাদেশের রান কোনোমতে একশ পেরিয়ে যায়। মান বাঁচে। তাওহীদ ৪১ বলে তুলে নেন টি-টোয়েন্টির সপ্তম ফিফটি। কিন্তু তার একার লড়াই বাংলাদেশের জন্য যথেষ্ট ছিল না।
আগের ম্যাচে ২ ওভারে ৩৯ রান দেওয়া পেসার স্পেন্সার জনসন এবার ৪ ওভারে ৬ রানে নিলেন ২ উইকেট। টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের বিপক্ষে ৪ ওভারে সর্বনিম্ন রান ছিল ড্যানিয়েল ভেটরির। নিউ জিল্যান্ডের বাঁহাতি এই স্পিনারের বোলিং ফিগার ছিল ৪-১-৬-৩। দুটি করে উইকেট নেন ন্যাথান এলিস ও অ্যাডাম জ্যাম্পা।
প্রথম দুই টি-টোয়েন্টি জিতে অস্ট্রেলিয়া এরই মধ্যে নিশ্চিত করেছে সিরিজ। আজ জিতলে তারা হোয়াইটওয়াশ করবে বাংলাদেশকে। বোলাররা নিজেদের কাজটা করে দলকে এগিয়ে রেখেছেন। এখন ব্যাটসম্যানদের বাকি কাজ শেষ করার পালা।
ওএফ

আপনার মূল্যবান মতামত দিন: