৪১ বছর বয়সেও রোনালদোর অবিশ্বাস্য ফিটনেসের রহস্য ফাঁস
৪১ বছর বয়সেও রোনালদো তার অসাধারণ ফিটনেস ও শৃঙ্খলার কারণে এখনো প্রতিপক্ষের জন্য বড় হুমকি।
ক্লাব ফুটবলের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে তিনি এখনো তার গোলের রেকর্ড বাড়িয়ে চলেছেন এবং আগামী বিশ্বকাপে পর্তুগালকে শিরোপা জেতানোর স্বপ্ন দেখছেন। সম্প্রতি তার ডায়েট সম্পর্কে নতুন কিছু তথ্য প্রকাশ পেয়েছে, যা তাকে সর্বোচ্চ পারফরম্যান্স ধরে রাখতে সাহায্য করে।
দৈনন্দিন জীবনে রোনালদো কঠোর খাদ্যাভ্যাস মেনে চলেন, যা তাকে এখনো শীর্ষ পর্যায়ের ফুটবলে সেরা ফর্ম ধরে রাখতে সাহায্য করছে। তিনি দুধ পান করেন না এবং ময়দাজাত খাবারও এড়িয়ে চলেন।
রোনালদোর সাবেক শেফ জর্জিও বারোনে সম্প্রতি তার খাবারের তালিকা সম্পর্কে বলেন, 'সকালে তিনি ডিম ও অ্যাভোকাডো খান এবং কফি পান করেন, কিন্তু কোনোভাবেই চিনি গ্রহণ করেন না। দুপুরে সাধারণত মুরগি বা মাছ এবং সবজি থাকে। কার্বোহাইড্রেট দরকার হলে তিনি সবজি থেকেই তা নেন, তাই ময়দাজাত কোনো খাবার যেমন পাস্তা বা রুটি তিনি খান না।'
রাতের খাবার সম্পর্কে তিনি জানান, 'রাতে তিনি হালকা খাবার খান, সাধারণত মাছ বা স্টেক, সঙ্গে সবজি থাকে।'
রোনালদোর খাদ্যাভ্যাসের একটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো তিনি দুধ পান করেন না। বারোনে বলেন, 'তিনি দুধ এড়িয়ে চলেন, কারণ এটি মানুষের জন্য স্বাভাবিক নয়। মানুষই একমাত্র প্রাণী যারা অন্য প্রাণীর দুধ পান করে। তিন মাসের পর আর কোনো প্রাণী দুধ পান করে না, তাই দুধ প্রকৃতিতে স্বাভাবিক নয়।' রোনালদো পানীয় হিসেবে মিনারেল ওয়াটার, প্রাকৃতিক জুস এবং চিনি ছাড়া আইসোটোনিক পানীয় গ্রহণ করেন। তিনি কোমল পানীয়ও পান করেন না।
দুধ না খাওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে বারোনে আরও বলেন, 'মানুষই একমাত্র প্রাণী যারা ৩০, ৪০, ৫০ বা ৬০ বছর বয়স পর্যন্ত দুধ পান করে, যা আমার মতে ভুল। আমরা ছোটবেলায় মায়ের দুধ পান করি, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু বড় হওয়ার পর তা আর স্বাভাবিক নয়।'
শেষে তিনি ম্যানচেস্টার সিটি ও নরওয়ের তারকা আর্লিং হলান্ডের খাদ্যাভ্যাসের সঙ্গে তুলনা করে বলেন, 'হলান্ডের ডায়েটে দুগ্ধজাত খাবার, অর্গান মিট এবং উচ্চ ক্যালোরি রয়েছে, এটি ভালো পরিকল্পনা।' তিনি যোগ করেন, 'রোনালদোও লিভার পছন্দ করতেন। এতে প্রচুর আয়রন থাকে, যা স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।'
ওএফ

আপনার মূল্যবান মতামত দিন: