[email protected] বৃহঃস্পতিবার, ৪ঠা জুন ২০২৬
২১শে জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

প্রথম ধাপে ১২৯ ক্রীড়াবিদ সরকারি বেতন পাচ্ছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: ২৮ মার্চ ২০২৬ ১৪:০৩ পিএম

প্রথম ধাপে বেতন পাবেন আর্চারি, বক্সিং, জিমন্যাস্টিকস, সাঁতার, ভারোত্তোলন, উশু, প্যারা অ্যাথলেটিকস, কারাতে, সেপাক তাকরো, টেবিল টেনিস, কাবাডি, ভলিবল, বাক্সেটবল, ব্রিজ, ফুটসালের ক্রীড়াবিদরা।

নতুন সরকার আসার পর পর্যায়ক্রমে জাতীয় পর্যায়ের সব ক্রীড়াবিদদের সরকারী বেতন কাঠামোর আওতায় আনার ঘোষনা দিয়েছিলেণ যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। ৩০ মার্চ সেই ঘোষনার প্রথম বাস্তবায় ঘটতে যাচ্ছে। সকাল ১০টায় নিজের সরকারী কার্যালয়ে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রাথমিকভাবে ৫০০ ক্রীড়াবিদের কথা বললেও প্রথম ধাপে ক্রীড়া ভাতার আওতায় আনা হচ্ছে ২০ ডিসিপ্লিনের ১২৯ ক্রীড়াবিদকে। যেখানে আপাতত থাকছেন না ক্রিকেটার কিংবা ফুটবলাররা। অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করবে বাংলাদেশ টেলিভিশন।

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে শনিবার সংবাদ সম্মেলনে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘শুধু আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যারা বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করে পদক জিতেছেন, কেবল তারাই পাবেন। আরেকটা বিষয় রয়েছে, আমরা এই যে জাতীয় পর্যায়ে যাদেরকে ক্রীড়া ভাতা প্রদান করব এইটা কিন্তু চার মাস পর পর আমরা রিভিউ করব। তাদের পারফরম্যান্সের ওপরে নিশ্চিত করেই তা সংযোজন-বিয়োজন হবে। তারা যদি তাদের সেই পারফরম্যান্স ধরে রাখে তারা নিয়মিত করবে। যদি কেউ পারফরম্যান্স থেকে সরে যায় তখন তারা বাদ পড়ে যাবে।’

প্রথম ধাপে বেতন পাবেন আরচারি, বক্সিং, ইয়োগা, জিমন্যাস্টিকস, ক্যারম, সাঁতার, প্যারা সাঁতার, ভারোত্তোলন, উশু, প্যারা অ্যাথলেটিক্স, অ্যাথলেটিক্স, কারাতে, সেপাক টাকরো, টেবিল টেনিস, কাবাডি, ভলিবল, হুইলচেয়ার বাস্কেটবল, ব্রিজ, ব্যাডমিন্টন, ফুটসালের ক্রীড়াবিদরা।

এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে আরও তালিকা করা হবে বলে জানান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘ক্রিকেটাররা অত্যন্ত ফাইন্যান্সিয়ালি সলভেন্ট। ক্রিকেটারদের বিষয় নিয়ে আমরা পরবর্তীতে ভাববো। আমরা আপাতত ফুটবল থেকে শুরু করে আমাদের যেসকল ইভেন্টগুলো বা যে সকল ক্রীড়াবিদরা অত্যন্ত জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে তাদেরকে আমরা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে তাদেরকে আমরা এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই।’

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে খেলাধূলাকে বাধ্যতামূলক করার কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেণ, ‘৪৯৫টি উপজেলার প্রত্যেকটি স্কুলে তিনজন করে ক্রীড়া শিক্ষক থাকবেন। এছাড়াও উপজেলা ক্রীড়া অফিসারও কাজ করবেন। আপাতত সাতটি ডিসিপ্লিনকে আমরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অন্তর্ভূক্ত করতে চাই। এ জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রনালয় এক সঙ্গে কাজ করবে। সেরকম নির্দেশনা ইতোমধ্যে দেওয়া হয়েছে।’ নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস চালু সম্পর্কে আমিনুলের কথা, ‘একই সঙ্গে ১২-১৪ বছর বয়সীদের মধ্য থেকে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের মাধ্যমেও নতুন খেলোয়াড় তুলে আনার চেষ্টা করব।’

দেশব্যাপী স্পোর্টস ভিলেজ তৈরী করার পরিকল্পনা সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা প্রত্যেক জেলায় একটি করে স্পোর্টস ভিলেজ করব। আপাতত ১০টি জেলায় এই কার্যক্রম পরীক্ষামূলক চালু করা হবে। তবে আমরা দেশব্যাপী এই স্পোর্টস ভিলেজ তৈরী, নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ও ভাতা প্রদানের মাধ্যমে ক্রীড়াবিদদের পরিবারের কাছে আস্থা অর্জন করতে চাই।’

ওএফ

আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

সম্পর্কিত খবর