[email protected] শুক্রবার, ৫ই জুন ২০২৬
২১শে জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

এশিয়ান আরচারি চ্যাম্পিয়নশিপ

পদক পুনরুদ্ধার করাই লক্ষ্য বাংলাদেশের

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: ০২ নভেম্বর ২০২৫ ১৯:১১ পিএম

আরচারির সেরা তারকা রোমান সানা, দিয়া সিদ্দিকী, অসীম নেই। তারপরও এশিয়ান আরচারিতে পদক পুনরুদ্ধার করতে চান কোচ মার্টিন ফ্রেডরিক।


আরচারির সেরা তারকা রোমান সানা, দিয়া সিদ্দিকী, অসীম নেই। তারপরও এশিয়ান আরচারিতে পদক পুনরুদ্ধার করতে চান কোচ মার্টিন ফ্রেডরিক। রোববার টঙ্গীতে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘যারা নেই, তাদের নিয়ে আমি কথা বলতে চাই না। পেছনে তাকিয়ে আফসোস করলে কাজ হবে না। যারা আছে, তাদের নিয়েই কাজ করতে চাই। আমার খেলোয়াড়দের ওপর বিশ্বাস আছে। আমরা শক্তিশালী দল, বড় কিছু করার সক্ষমতা আছে, এগিয়ে যেতে চাই সামনে তাকিয়ে।’


২০২১ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত এশিয়ান আরচারি চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশ তিনটি পদক (একটি রুপা ও দুটি ব্রোঞ্জ) জিতেছিল। কিন্তু দুই বছর পর ব্যাংককে অনুষ্ঠিত একই টুর্নামেন্ট থেকে ফিরতে হয়েছে খালি হাতে। দুই বছর আগের হারানো সেই পদক পুনরুদ্ধার করতে চান মার্টিন। তার কথা, ‘এখানকার সেই সাফল্যটি আমরা আবারও পুনরায় করতে চাই। পোডিয়ামে ওঠা আমাদের একটি বড় লক্ষ্য। নির্দিষ্টভাবে কাউকে নয়, আমাদের প্রতিপক্ষ প্রত্যেকেই শক্তিশালী। বিশেষ করে কম্পাউন্ড দলে আমরা অনেক এগিয়েছি, মিক্সড টিম বেশ উন্নতি করেছে। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে চাই।’ তাহলে এই আসরে ক’টি পদক জিততে চান? এমন প্রশ্নের উত্তরে মার্টিনের কথা, ‘আগেই বলেছি, শেষবার এখানে তিনটি পদক পেয়েছিলাম। যদি সেটি পুনরুদ্ধার করা যায়, তাহলে দারুণ হবে। তবে এশিয়া সবচেয়ে কঠিন প্রতিযোগিতার মঞ্চ। দক্ষিণ কোরিয়া, ভারত, চাইনিজ তাইপে, চীন, সবাই আসছে। প্রতিযোগিতা ভীষণ কঠিন হবে।’


৮ নভেম্বর এশিয়ান আরচারির এই বৃহৎ আসর শুরু হয়ে শেষ হবে ১৪ নভেম্বর। প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে দুই ভেন্যুতে। জাতীয় স্টেডিয়ামে ৮ থেকে ১২ নভেম্বর এবং আর্মি স্টেডিয়ামে ১৩ ও ১৪ নভেম্বর। দুই স্টেডিয়ামে ভেন্যু নিয়ে কোচ মার্টিন ফ্রেডরিকের কথা, ‘বিশ্বকাপ বা বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপেও ফাইনাল অন্য ভেন্যুতে হয়। কখনো শহরের কেন্দ্র কিংবা বিশেষ স্থানে। এবার সিদ্ধান্ত হয়েছে আর্মি স্টেডিয়ামে ফাইনাল হবে, তাতে সমস্যা নেই। আমি শুধু চেয়েছি, জাতীয় স্টেডিয়ামে আগেভাগে দুয়েক দিন অনুশীলনের সুযোগ পেতে। যদিও এখনো সেই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক সাড়া পাইনি। কারণ টঙ্গিতে বাতাস নেই বললেই চলে, কিন্তু জাতীয় স্টেডিয়ামে বাতাস ভিন্ন। তাই আগে থেকেই অনুশীলন করলে সুবিধা হবে বলে মনে করি।’

ওএফ

আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

সম্পর্কিত খবর