বিশ্বকাপে না খেললে ক্রিকেটারদের ক্ষতিপূরণ ইস্যুতে বিতর্ক, অবস্থান স্পষ্ট করল বিসিবি
বিশ্বকাপে অংশ না নিলে ক্রিকেটারদের ক্ষতিপূরণ দেয়া হবে কিনা–এ বিষয়ে এক বোর্ড পরিচালকের মন্তব্য নিয়ে ক্রিকেটাঙ্গন এখন উত্তপ্ত। সেই পরিচালক পদত্যাগ না করলে সব ধরনের ক্রিকেট বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব)। এমন প্রেক্ষাপটে বিষয়টি নিয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বিসিবি বলেছে, ‘কোনো মন্তব্য যদি অনুপযুক্ত, আপত্তিকর বা কষ্টদায়ক বলে বিবেচিত হয়, সে জন্য বোর্ড দুঃখ প্রকাশ করছে। এমন বক্তব্য বিসিবির মূল্যবোধ, নীতি কিংবা আনুষ্ঠানিক অবস্থানকে প্রতিফলিত করে না। একই সঙ্গে এসব মন্তব্য বাংলাদেশ ক্রিকেটের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের প্রত্যাশিত আচরণবিধির সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘নির্ধারিত মুখপাত্র কিংবা মিডিয়া ও কমিউনিকেশনস বিভাগের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত বক্তব্য ছাড়া কোনো পরিচালক বা বোর্ড সদস্যের মন্তব্যের দায় বিসিবি নেয় না। অনুমোদিত চ্যানেলের বাইরে দেওয়া বক্তব্য ব্যক্তিগত মতামত হিসেবে বিবেচিত হবে।’
ক্রিকেটারদের প্রতি অসম্মানজনক আচরণ বা বক্তব্য এবং বাংলাদেশ ক্রিকেটের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে যথাযথ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও স্পষ্ট করেছে বোর্ড। একই সঙ্গে বিসিবি অতীত ও বর্তমান সব ক্রিকেটারের প্রতি পূর্ণ সমর্থন ও সম্মান পুনর্ব্যক্ত করেছে। বোর্ড বলেছে, ক্রিকেটারদের অবদান, মর্যাদা ও কল্যাণ বিসিবির সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।
প্রসঙ্গত, বিসিবি পরিচালক এম নাজমুল ইসলাম সম্প্রতি সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালকে 'ভারতীয় দালাল' বলে মন্তব্য করে তুমুল আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দেন। সামাজিক মাধ্যমে সেই বক্তব্যের পর গত কয়েক দিনে সংবাদমাধ্যমে তার নানা মন্তব্যও আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
নতুন করে তিনি বিতর্কের জন্ম দেন বুধবার মিরপুরে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে। বাংলাদেশ দল যদি শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপে না যায়, তাহলে
ক্রিকেটারদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে কিনা, এই প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘ওরা গিয়ে যদি কিছুই না করতে পারে, তাহলে ওদের পেছনে আমরা যে এত কোটি কোটি টাকা খরচ করছি, আমরা কি ওদের কাছ থেকে ওই টাকা ফেরত চাচ্ছি নাকি? চাচ্ছি? এই প্রশ্নের উত্তর দেন আমাকে।’
ওএফ

আপনার মূল্যবান মতামত দিন: