পাকিস্তানের বড় জয়ের ম্যাচে তারিকের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে ‘বিতর্ক’
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৭ বছর পর টি-টোয়েন্টি সিরিজ নিশ্চিত করেছে পাকিস্তান। লাহোরে শনিবার দ্বিতীয় ম্যাচে ৯০ রানে জয় তুলে নেয় স্বাগতিকরা।
এটি আবার দুই দশকের মধ্যে এ সংস্করণে অজিদের সবচেয়ে বড় হার। তবে সবকিছু ছাপিয়ে শিরোনামে পাকিস্তান স্পিনার উসমান তারিক। তার বলে আউট হওয়ার পর মানতেই পারছিলেন না ক্যামেরন গ্রিন। অঙ্গভঙ্গিতে তিনি চাকিং-এর অভিযোগ করলে তারিকের উত্তরস্বরূপ কাণ্ডে হাসির রোল পড়ে গেছে ক্রিকেট বিশ্বে।
গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে টসে জিতে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ৫ উইকেটে ১৯৮ রান তোলে পাকিস্তান। রান তাড়ায় ১০৮ রানেই গুটিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। ম্যাচের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামের স্টোরিতে ছোট্ট একটি ভিডিও পোস্ট করেন। ইন্টারনেটের জনপ্রিয় সেই ভিডিওটি একটি বাচ্চার কান্নার ভিডিও। ক্যাপশনে তারিক লেখেন, ‘আফটার গেটিং আউট’ অথবা আউট হওয়ার পর। অনুমিতভাবে, গ্রিনকে উদ্দেশ্য করেই সেই পোস্ট। তারিকের এ রসবোধ হাসির খোরাক জন্ম দিয়েছে ক্রিকেটবিশ্বে।
তবে এ ২৮ বছর বয়সী স্পিনারের অ্যাকশন নিয়েও প্রশ্ন তুলছে কেউ কেউ। অনেকটা শ্রীলঙ্কার কিংবদন্তি পেসার লাসিথ মালিঙ্গার অ্যাকশনের মতো ডেলিভারি করেন তারিক। তাই প্রতিপক্ষের কাছ থেকে এমন প্রশ্ন এবারই নতুন নয়।
আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, বল ছোঁড়ার সময় কনুই ১৫ ডিগ্রির বেশি বাঁকাতে পারবে না বোলার। এর আগে আরও দু’বার চাকিংয়ের অভিযোগ ওঠে তারিকের ওপর। ইন্টারন্যাশনাল লীগ (আইএল) টি-টোয়েন্টিতে খেলার সময় ইংলিশ তারকা টম ব্যান্টনও তার বিরুদ্ধে একই অভিযোগ আনেন। গত নভেম্বরে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে অভিষেক ম্যাচের পরও তিনি অ্যাকশন নিয়ে সমালোচিত হন। তখন যুক্তি হিসেবে তারিক বলেন, “আমার কনুইতে দু’টি ‘কোণ’ রয়েছে, যে কারণে আমি সম্পূর্ণভাবে হাত সোজা করতে পারি না। এটি অনেককে বিভ্রান্ত করে। পাকিস্তানের দু’টি ল্যাবে আমি পরীক্ষা দিয়েছি, এবং আমার অ্যাকশন বৈধ প্রমাণ হয়েছে।”
ওএফ

আপনার মূল্যবান মতামত দিন: