আইএএনএস'র প্রতিবেদন
ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ হওয়ার সম্ভাবনা ৯৯ শতাংশ
বাংলাদেশের প্রতি সংহতি জানিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ না খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল পাকিস্তান। তবে এই ম্যাচটি বাতিল হলে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে পারে আইসিসি। বিজ্ঞাপন, সম্প্রচার স্বত্ব ও বাণিজ্যিক আয়েও বিরাট ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই ক্ষতি সামাল দিতে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকে (পিসিবি) রাজি করানোর চেষ্টা চালাচ্ছে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
এই সমস্যা সমাধানে আলোচনা করতে ইতোমধ্যে আইসিসির ডেপুটি চেয়ারম্যান ও সিঙ্গাপুর ক্রিকেট বোর্ডের প্রতিনিধি ইমরান খাজার নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল পাকিস্তানে গেছে। সেখানে যোগ দিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলও। পিসিবির ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো সংবাদ সংস্থা আইএএনএসকে জানিয়েছেন, ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ আয়োজনের পথে বড় কোনো বাধা আর নেই।
বৈঠকের সংশ্লিষ্টরা আশাবাদী যে, শিগগিরই সমস্যার সমাধান হবে এবং পাকিস্তান ভারতের বিপক্ষে খেলতে রাজি হবে। এ প্রসঙ্গে পিসিবির একটি সূত্র আইএএনএসকে বলেছেন, বৈঠক চলছে এবং ফেব্রুয়ারি ১৫ তারিখে কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে ভারত–পাকিস্তান ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা ৯৯ শতাংশ।
এর আগে, পিসিবির পক্ষ থেকে ঘোষণা দেয়া হয়েছিল যে, তারা কলম্বোতে নির্ধারিত ১৫ ফেব্রুয়ারির টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে খেলবে না। পাকিস্তান সরকারের অনুমোদনে বিশ্বকাপে অংশ নেয়ার শর্ত হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল। সরকারের অবস্থান ছিল বাংলাদেশের প্রতি সংহতি জানিয়ে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচে নামবে না তারা।
পাকিস্তানের এই ঘোষণার পরপরই আইসিসি পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনা শুরু করে। আইসিসি পিসিবিকে পারস্পরিকভাবে গ্রহণযোগ্য সমাধান খুঁজে বের করার আহ্বান জানায় এবং সতর্ক করে দেয় যে নির্বাচিত ম্যাচ বর্জনের মতো সিদ্ধান্ত বৈশ্বিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার মূল চেতনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
আইসিসি আশা করছে, পিসিবি এই সিদ্ধান্তের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবগুলো বিবেচনা করবে। কারণ এমন সিদ্ধান্ত শুধু পাকিস্তানের ক্রিকেটকেই প্রভাবিত করবে না, বরং বিশ্ব ক্রিকেটকেও প্রভাবিত করতে পারে।
ওএফ

আপনার মূল্যবান মতামত দিন: