মেয়ের জামাইসহ যাদের বাদ দিতে বলছেন শহীদ আফ্রিদি
কখনও কখনও কিছু হারও মাথা উঁচু রাখার বার্তা দেয়। কিন্তু পাকিস্তান গতকাল ভারতের বিপক্ষে যেভাবে হেরেছে, তাতে পাকিস্তানিদের মাথা উঁচুতে রাখার কোনো সুযোগ নেই। ভারতের ১৭৫ রানের জবাবে একপ্রকার অসহায় আত্মসমপর্ণ করেছে সালমান আলী আগা বাহিনী। কেবল এই ম্যাচ নয়, ভারত-পাকিস্তান লড়াই-ই এখন একপেশে হয়ে গেছে। শুধু ভারতের আধিপত্য।
কলম্বোয় টি-২০ বিশ্বকাপের ম্যাচটিতে পাকিস্তান ১১৪ রানে অলআউট হয়েছে। ৬১ রানের এই হারের পর ক্ষুভে ফুঁসছে পুরো পাকিস্তান। দেশটির সাবেক ক্রিকেটার শহীদ আফ্রিদি এই তালিকার বাইরে নন, যদিও তার মেয়ের জামাই শাহিন আফ্রিদি এই দলেরই সদস্য। শাহিন গতকাল খেলেছেনও। এক উইকেট নিলেও ২ ওভার বল করে দিয়েছেন ৩১ রান, এরপর ব্যাট হাতে ১৯ বলে করেছেন ২৩।
এই পারফরম্যান্সে মেয়ের জামাইয়ের ওপর শহীদ আফ্রিদি সন্তুষ্ট নন। নাখোশ বাবর আজম ও শাদাব খানের পারফরম্যান্সেও। বাবর ৫ ও শাদাব ১৪ রান করেন। তাদের দল থেকে বাদ দেওয়ার পরামর্শ তার। সেই জায়গায় তরুণদের খেলানোর কথা বলছেন সাবেক অধিনায়ক। তার যুক্তি, সিনিয়ররা পর্যাপ্ত সুযোগ পেয়েও পারফরর্ম করতে পারছেন না।
সামা টিভিকে শহীদ আফ্রিদি বলেন, ‘যদি এখানে আমাকে সিদ্ধান্ত নিতে হতো, তাহলে আমি এমনকি শাহিনকেও বসিয়ে দিতাম, বাবরকেও বসাতাম, আর শাদাবকেও বিশ্রাম দিতাম। আমি নতুন ছেলেদের খেলাতাম, তরুণদের সুযোগ দিতাম। আর নামিবিয়ার বিপক্ষে আমাদের ম্যাচে আমি তাদের ওপরই ভরসা রাখতাম, আত্মবিশ্বাস দিতাম এবং খেলিয়ে যেতাম।’
আফ্রিদি যোগ করেন, ‘কারণ আমরা অনেক দিন ধরেই এই খেলোয়াড়দের দেখছি— তারা বারবার সুযোগ পাচ্ছে। আর প্রতিবারই আমরা আশা করি যে এমন দলের বিপক্ষে তারা ভালো করবে। এরা সিনিয়র খেলোয়াড়। যদি তারা তোমার জন্য পারফর্মই না করে, তাহলে বেঞ্চে বসে থাকা জুনিয়রদের খেলাবে না কেন? আসলে বড় পার্থক্যটাই বা কী?’
ওএফ

আপনার মূল্যবান মতামত দিন: