শঙ্কায় পড়া পাকিস্তানিদের নিয়ে ইংল্যান্ডের হুঁশিয়ারি, গর্জে উঠলেন ব্রুকও
অনেকদিন ধরেই গুঞ্জন চলছে, ইংল্যান্ডের ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট দ্য হান্ড্রেডের ভারতীয় মালিকরা পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের নিলাম থেকে দলে ভেড়াবেন না। তবে এমন করা হলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইংল্যান্ড এন্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)। বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন ইংলিশ অধিনায়ক হ্যারি ব্রুকও। খবর জিও নিউজ।
বিবিসির একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ম্যানচেস্টার সুপার জায়ান্টস, এমআই লন্ডন, সাউদার্ন ব্রেভ ও সানরাইজার্স লিডস ১১-১২ মার্চের নিলামে পাকিস্তানি খেলোয়াড়দের বিবেচনায় নাও নিতে পারে।
এর পরই রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) ইসিবি আটটি দলকে ইমেইল পাঠিয়ে জানায়, জাতীয়তার ভিত্তিতে কোনো খেলোয়াড়কে বাদ দিলে তা বৈষম্য হিসেবে গণ্য হবে এবং প্রমাণ মিললে ব্যবস্থা নেয়া হবে। প্রয়োজনে বিষয়টি স্বাধীন ক্রিকেট নিয়ন্ত্রকের কাছে পাঠানো হতে পারে। ১০০ বলের এই প্রতিযোগিতার তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে ইসিবি নিজস্ব ব্যবস্থাও নিতে পারে।
ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক বলেছেন, পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের বাদ দেয়া হলে তা ‘দুঃখজনক; হবে। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টি২০ বিশ্বকাপের সুপার এইটস ম্যাচের আগে তিনি বলেন, ‘আমাদের এখন মূল মনোযোগ বিশ্বকাপ। তবে পাকিস্তান বহু বছর ধরে দারুণ ক্রিকেট জাতি। নিলামে প্রায় ৫০-৬০ জন পাকিস্তানি খেলোয়াড় আছে, তাদের না দেখা সত্যিই হতাশাজনক হবে।’
মূলত, ভারত-পাকিস্তানের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক টানাপোড়েন ক্রিকেটেও প্রভাব ফেলেছে। ২০০৯ সাল থেকে কার্যত আইপিএলে পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের অংশগ্রহণ নেই। আইপিএলের কয়েকজন মালিক বিদেশি লিগেও দল পরিচালনা করায় পাকিস্তানি খেলোয়াড়দের সুযোগ আরও সংকুচিত হয়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকার এসএ২০ এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের আইএল২০ এর বাস্তব উদাহরণ।
নিলামে পাকিস্তানের বড় উপস্থিতি
আগামী মাসের নিলামে মোট ৯৬৪ জন ক্রিকেটার অংশ নিচ্ছেন। এর মধ্যে ৬৭ জন পাকিস্তানি; ৬৩ জন পুরুষ ও ৪ জন নারী। উল্লেখযোগ্যদের মধ্যে রয়েছেন শাহিন আফ্রিদি, শাদাব খান, হারিস রউফ ও নাসিম শাহ। গত বছরের নিলামে কোনো পাকিস্তানি ক্রিকেটার দল পাননি। যদিও পরে বদলি হিসেবে মোহাম্মদ আমির ও ইমাদ ওয়াসিম খেলেছিলেন।
ওএফ

আপনার মূল্যবান মতামত দিন: