এশিয়াডে বেড়াতে নয়, যোগ্যতা অর্জন করেই যেতে চায় ভারত, কঠোর হতে পারবে কি বাংলাদেশ?
অথচ আজও এসব বড় গেমসে কেবল অংশগ্রহন আর ভ্রমনের জন্যই যেয়ে থাকেন বাংলাদেশের ক্রীড়াবিদ ও কর্মকর্তারা। ভারতীয় ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের মতো এমন সিদ্ধান্ত কবে নেমে বাংলাদেশের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। সেটাই দেখার বিষয়।
শুধু বেড়াতে যাওয়ার জন্য এশিয়ান গেমসে অংশ নিতে পারবেন না ভারতের কোনও ক্রীড়াবিদ। যাঁদের পদক পাওয়ার সম্ভাবনা উজ্জ্বল, তাদেরই পরের বছর জাপানের আইচি-নাগোয়া শহরে এশিয়াডে যাওয়ার ছাড়পত্র দেবে অল ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন (এআইএফএফ)। আগে অনেক ফেডারেশন নিজেদের খরচে ক্রীড়াবিদ ও কিছু অফিসিয়াল পাঠাত। বাংলাদেশ কি পারবে এই পথে হাটতে?

ক্রীড়ামন্ত্রণালয় থেকে যে পাঁচ পাতার নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে, তাতে পরিষ্কারই বলে দেওয়া হয়েছে, নিজেদের খরচে ক্রীড়াবিদ বা কর্তাকেও গেমসে পাঠানো যাবে না। গেমসে যাওয়ার জন্য যোগ্যতার মাপকাঠি করা হয়েছে, ব্যক্তিগত ক্ষেত্রে এশিয়া পর্যায়ে প্রথম ছয়ের মধ্যে থাকতে হবে আর দলগত বিভাগে প্রথম আটের মধ্যে। ভারতীয় ফুটবল টিমকে এশিয়ান গেমসের লক্ষ্যেই এআইএফএফ এখনই তৈরি করা শুরু করেছে।
নৌসাদ মুসার অধীনে সারা বছর ধরে অনূর্ধ্ব ২৩ টিমের ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। কিন্তু এই নিয়মে ফুটবল টিমের এশিয়াডে যাওয়া অনিশ্চিত। কারণ এএফসি তালিকায় এখন ভারত ২৪ নম্বরে। নিজেদের জায়গা উন্নত করার জন্য সুযোগও ভারত পাবে না। কারণ এশিয়ান কাপ হবে ২০২৭ সালে।
দেশের প্রথম সারির অনেক ক্রীড়াবিদই কোনও টুর্নামেন্টে খেলতে যাওয়ার আগে দাবি তোলেন ব্যক্তিগত কোচ বা ফিজিয়োকে নিয়ে যাওয়ার। তাঁদের দাবি বহু ক্ষেত্রে মেনেও নেওয়া হয়েছে। এবার পরিষ্কার বলে দেওয়া হয়েছে, জাতীয় টিমের যে কোচ ও সাপোর্ট স্টাফ থাকবেন, তাঁদের অধীনেই খেলতে হবে ক্রীড়াবিদদের। শুধু এশিয়াড নয়, কমনওয়েলথ গেমস, প্যারা গেমস, ইয়ুথ গেমসেও প্রযোজ্য।
অথচ আজও এসব বড় গেমসে কেবল অংশগ্রহন আর ভ্রমনের জন্যই যেয়ে থাকেন বাংলাদেশের ক্রীড়াবিদ ও কর্মকর্তারা। ভারতীয় ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের মতো এমন সিদ্ধান্ত কবে নেমে বাংলাদেশের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। সেটাই দেখার বিষয়।
ওএফ

আপনার মূল্যবান মতামত দিন: