[email protected] শুক্রবার, ৫ই জুন ২০২৬
২১শে জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

টেকনোক্রেট কোটায় ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী হচ্ছেন আমিনুল হক

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৪:০২ পিএম

ক্রীড়াঙ্গন থেকে অনেকে সংসদ সদস্য-মন্ত্রী হয়েছেন। সাবেক কোনো ক্রীড়াবিদের টেকনোক্র্যাট হিসেবে মন্ত্রী হওয়ার রেকর্ড সেই অর্থে নেই। জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল হক টেকনোক্রেট মন্ত্রী হচ্ছেন।

আজ সকালে নব নির্বাচিত সংসদ সদস্যগণ শপথ নিয়েছেন। বিকেল চারটায় মন্ত্রীরা শপথ গ্রহণ করবেন। সকাল থেকেই অনেক সংসদ সদস্য মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ থেকে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার ফোন পেয়েছেন। জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল হকও ফোন পেয়েছেন।

আমিনুল হক ঢাকা-১৬ আসন থেকে জাতীয় নির্বাচন করেছিলেন। তিনি ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করে জামায়াত ইসলামের প্রার্থী কর্নেল (অব) আব্দুল বাতেনের কাছে হারেন। সংবিধান অনুযায়ী মন্ত্রী পরিষদের সর্বোচ্চ ১০ ভাগ টেকনোক্র্যাট (সংসদ সদস্যের বাইরে) মন্ত্রী পরিষদে থাকতে পারে। সাধারণত বিশিষ্ট ব্যক্তি যাদের বিশেষ বিষয়ে অভিজ্ঞতা ও অসাধারণ দক্ষতা এবং দলের ত্যাগী নেতাদের টেকনোক্যাট কোটায় মন্ত্রী করা হয়। কোনো সাবেক ক্রীড়াবিদ নির্বাচনে পরাজিত হয়ে কিংবা টেকনোক্র্যাট কোটায় মন্ত্রী কখনো হননি। আমিনুল হকই প্রথম।

স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশে সাবেক তারকা ফুটবলারদের মধ্যে মেজর হাফিজই প্রথম মন্ত্রীত্ব পেয়েছিলেন। এরপর দীর্ঘদিন পর আরেক সাবেক জাতীয় ফুটবলার আরিফ খান জয় ক্রীড়া উপমন্ত্রী হয়েছিলেন। আমিনুল হক তৃতীয় সাবেক জাতীয় ফুটবলার হিসেবে মন্ত্রী হতে চলছেন।

বিগত তিন চার দশকে (সাদেক হোসেন খোকা, হারুনুর রশিদ, সালাম মুর্শেদী, সাকিব আল হাসান, মাশরাফি বিন মোর্তজা, হাসানুল হক ইনু, আলী আজরগর লবি,এহসানুল হক মিলনসহ আরও অনেকে) ক্রীড়াবিদ,সংগঠক ও ক্রীড়া সংশ্লিষ্ট অনেকেই সংসদ-সদস্য ও মন্ত্রীত্ব করেছেন। কিন্তু তাদের কেউই টেকনোক্র্যাট ছিলেন না।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে থেকেই ক্রীড়াঙ্গনে আলোচনা ছিল বাংলাদেশ জাতীয়বাদী দল বিএনপি নির্বাচনে জয়লাভ করলে সাবেক জাতীয় ফুটবল অধিনায়ক ও বিএনপির ত্যাগী-নিবেদিতপ্রাণ নেতা আমিনুল হক ক্রীড়া মন্ত্রী হবেন। জাতীয় নির্বাচনে তিনি ঢাকা-১৬ আসন থেকে হেরে যাওয়ায় ক্রীড়াঙ্গনে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে টেকনোক্রেট কোটায় আমিনুল নাকি অন্য কেউ?

আমিনুল হক মন্ত্রী সভায় প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার আমন্ত্রণ পেয়েছেন। সাধারণত যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রী একজনই দায়িত্ব পালন করেন। সেই হিসেবে ক্রীড়াসংশ্লিষ্ট সবারই অনুমান সাবেক ফুটবলার আমিনুল হকই যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী হচ্ছেন। ঘণ্টা খানেক পরই আগামী দিনের বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের অভিভাবক কে হচ্ছেন আনুষ্ঠানিকভাবে জানা যাবে।

ওএফ

আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

সম্পর্কিত খবর