ম্যাচ শেষে মেসি কি আসলেই ‘নিষিদ্ধ’ জোনে ঢুকেছিলেন, লিগ কর্তৃপক্ষ যে ব্যাখ্যা দিল
মৌসুমের প্রথম ম্যাচেই ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের হার। লস অ্যাঞ্জেলসের কাছে ৭৫ হাজার দর্শকের সামনে ৩-০ গোলের এই হার ইন্টার মায়ামির মনে ক্ষত এনে দেওয়ার মতোই। গতকাল এই হারের পর একটা গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে, লিওনেল মেসি নাকি প্লেয়ারদের জন্য নিষিদ্ধ জোনে ঢুকে পড়েছিলেন।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে ভিডিও ছড়িয়েছে, তাতে দেখা যায়, মেসি টানেল থেকে একটি কক্ষে জোরের ওপর প্রবেশের চেষ্টা করছেন। বাধা দিচ্ছেন তারই সতীর্থ লুইস সুয়ারেজ। উরুগুইয়ান তারকা মেসিকে টেনে ধরে রাখার চেষ্টা করেন। কিন্তু মেসি শেষ পর্যন্ত ভেতরে ঢুকেই যান। সুয়ারেজ পিছু নেন।
গুঞ্জনে দাবি করা হয়েছিল, মেসি ম্যাচ অফিসিয়ালদের লকার রুমে ঢুকে গিয়েছিলেন। যা প্লেয়ারদের জন্য ‘নিষিদ্ধ’ জোন। কয়েক মিনিট পর সুয়ারেজ ও তাকে বের হতে দেখা যায়। ব্যাপারটি খতিয়ে দেখেছে এমএলএস কর্তৃপক্ষ। মেসি যেখানে ঢুকেছিলেন সেটি লকার রুম নয় বলে জানিয়েছে তারা।
গার্ডিয়ানকে এমএলএসের এক মুখপাত্র বলেন, ‘সেটি (যেখানে মেসি প্রবেশ করেছিলেন) কোনো নিষিদ্ধ এলাকা নয়, যা সাধারণত সাইনবোর্ড দিয়ে চিহ্নিত করা থাকে। সেটি রেফারির লকার রুমও ছিল না। লিগ ঘটনাক্রমটি পর্যালোচনা করেছে এবং মেসি বা সংশ্লিষ্ট অন্য কারও বিরুদ্ধে লিগের কোনো নীতিমালা লঙ্ঘনের প্রমাণ পায়নি।’
পেশাদার রেফারি সংগঠনের যোগাযোগ বিভাগের পরিচালক ক্রিস রিভেটও মেসির নিয়ম লঙ্ঘনের প্রমাণ পাননি। ইএসপিএনকে তিনি বলেন, ‘ম্যাচ কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলার পর আমরা নিশ্চিত করছি যে মেসি সেখানে প্রবেশ করেননি।’
ইন্টার মায়ামি কোচ হাভিয়ের মাশ্চেরানো ম্যাচ শেষে বলেন, তিনি এ ঘটনা সম্পর্কে কিছুই জানেন না। কোচ বলেন, ‘না, না। আমি কিছুই দেখিনি। সত্যি বলতে ম্যাচ শেষ হওয়ার পর আমি লকার রুমে চলে গিয়েছিলাম।’
ওএফ

আপনার মূল্যবান মতামত দিন: