[email protected] শুক্রবার, ৫ই জুন ২০২৬
২১শে জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

‘গুলিস্তানের ক্যাম্প থেকে অস্ট্রেলিয়ার ক্যাম্পে এসেছি’- বাটলার

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: ০২ মার্চ ২০২৬ ১৪:০৩ পিএম

ম্যাচের আগের দিন সাধারণত কোচরা সতর্ক বার্তাই দেন। তবে সিডনির কমনওয়েলথ ব্যাংক স্টেডিয়ামে সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ নারী দলের অধিনায়কের কণ্ঠে ছিল ভিন্ন সুর—লাল-সবুজ পিছিয়ে নয়, বুক চিতিয়েই খেলবে।

 

এশিয়ার শক্তিধর চীনের বিপক্ষেও বাংলাদেশ খেলবে নিজেদের চেনা হাই লাইন ডিফেন্সে। গ্রুপে চীন ও উত্তর কোরিয়ার মতো আক্রমণাত্মক দল থাকায় রক্ষণভাগের ওপর চাপ পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। থাইল্যান্ডের বিপক্ষে একই কৌশলে গোল হজমের স্মৃতিও টাটকা। তবু দল কৌশল বদলাতে নারাজ।

ঐতিহাসিক এই লড়াইয়ের আগেও প্রস্তুতি নিয়ে কি ক্ষুব্ধ বাটলার? আজ সংবাদ সম্মেলনে এমনই প্রশ্ন তাঁকে করা হয়।

উত্তরে সবাইকে হাসালেনই বাটলার। তিনি বলেন, ‘গুলিস্তানের ক্যাম্প থেকে অস্ট্রেলিয়ার ক্যাম্পে এসেছি আমরা। আমি রাগান্বিত নই। আমি আসলে... আমি সচরাচর রাগ করি না। মাঝে মাঝে করি, তবে এখন নই। আমি একজন বাস্তববাদী মানুষ। প্রস্তুতিই সব; আপনি যদি ঠিকঠাক প্রস্তুতি না নেন, তবে ভালো ফলাফল আশা করতে পারেন না। বিষয়টি খুবই সাধারণ। আমার মনে হয় এই বিষয়ে যথেষ্ট বলা হয়েছে, এখন আমাদের এসব পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যেতে হবে।’

কোচ বাটলার বলেন, “এমন দলের বিপক্ষে রক্ষণ সংগঠিত রাখতে হবে। তিন না চারজন—পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত নেব।” যদিও ‘হাই লাইন’ শব্দটি এড়িয়ে যান তিনি, অধিনায়ক আফিদা স্পষ্ট, “আমরা যে স্টাইলে খেলি, সেটাই খেলব।”

সন্ধ্যা সাতটায় ম্যাচ। ফ্লাডলাইটের আলো, ঠান্ডা বাতাস—পরিবেশ ভিন্ন হলেও কোচের বিশ্বাস, প্রস্তুতিতে ঘাটতি হবে না।
অস্ট্রেলিয়ার উন্নত অবকাঠামো ও ফ্যাসিলিটি খেলোয়াড়দের আত্মবিশ্বাস বাড়ালেও বাংলাদেশের সীমাবদ্ধতা এখনো বাস্তব। তবু সাম্প্রতিক সাফল্য দলকে দিয়েছে মানসিক দৃঢ়তা।

চীন অভিজ্ঞতা ও শক্তিতে এগিয়ে। তবে বাংলাদেশের ভরসা দলগত শৃঙ্খলা, ফিটনেস ও সাহসী মানসিকতা। হাই লাইন ডিফেন্স ঝুঁকিপূর্ণ হলেও অফসাইড ট্র্যাপ ও আগ্রাসী প্রেসিংয়ে প্রতিপক্ষকে চাপে রাখাই লক্ষ্য।

ফল যাই হোক, বার্তা পরিষ্কার—বাংলাদেশ এসেছে কেবল অংশ নিতে নয়, নিজেদের পরিচয় প্রতিষ্ঠা করতে। সেই পরিচয়ের নাম—আত্মবিশ্বাস ও সাহস।

ওএফ

আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

সম্পর্কিত খবর