মেয়েদের সাফ ফুটবল এবার ভারতের গোয়ায়
এএফসি এশিয়ান কাপে খেলে সদ্যই অস্ট্রেলিয়া থেকে দেশে ফিরেছেন আফঈদা খন্দকার, ঋতুপর্ণারা। তবে বিশ্রামের কোন সুযোগ নেই তাদের সামনে। কারণ এবার তাদের প্রস্তুতি নিতে হবে দক্ষিণ এশিয়ার নারী ফুটবলের হ্যাটট্রিক শিরোপা জয়ের। আগামী ২৫ মে থেকে ৭ জুন ভারতের গোয়ায় পর্দা উঠছে সাফ নারী ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের।
টানা দুই সপ্তাহ ধরে উপমহাদেশের ফুটবলপ্রেমীরা মেতে থাকবেন বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, মালদ্বীপ ও ভুটান- এই সাত জাতির ফুটবল মহাযজ্ঞে। এবারই প্রথমবারের মতো সাফের এই মেগা ইভেন্টের আয়োজক হতে যাচ্ছে গোয়ার ঐতিহ্যবাহী ফাতোর্দা স্টেডিয়াম। যেখানে মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি গ্যালারির উন্মাদনাও ছড়াবে বাড়তি রোমাঞ্চ। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার।
স্বভাবতই টুর্নামেন্টে সমস্ত স্পটলাইট থাকছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশের ওপর। ২০২২ এবং ২০২৪- টানা দুই আসরে দক্ষিণ এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট জিতে বাংলার নারীরা এখন রীতিমতো আত্মবিশ্বাসের চূড়ায় অবস্থান করছে। এবার আফঈদাদের সামনে আরও বড় ইতিহাস গড়ার সুযোগ-টানা তৃতীয়বার বা 'হ্যাটট্রিক' শিরোপা জয়ের। তবে বাংলাদেশের জন্য কাজটা যে মোটেও সহজ হবে না, তা বলাই বাহুল্য। কারণ টুর্নামেন্টের আয়োজক এবার খোদ ভারত। সাফের ইতিহাসের রেকর্ড পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন তারা। ঘরের মাঠের চেনা পরিবেশে নিজেদের হারানো রাজত্ব পুনরুদ্ধারে যে তারা মরিয়া হয়ে উঠবে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।
তাছাড়া ভারত ও বাংলাদেশ- দুই দলই সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত ‘এএফসি নারী এশিয়ান কাপের মঞ্চে লড়াই করে এসেছে। বিশ্বমঞ্চের সেই অভিজ্ঞতা এই দুই দলের ফুটবলশৈলী ও মানসিকতাকে যে আরও পরিণত করেছে, তাতে এবারের সাফের প্রতিদ্বন্দ্বিতা অন্য যেকোনো আসরের চেয়ে বহুগুণ বেশি হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। সাফ সাধারণ সম্পাদক পুরুষোত্তম কার্টেল এই মেগা ইভেন্ট নিয়ে নিজের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, ‘সাতটি সদস্য দেশের নারী দল এখানে (গোয়া) অংশ নেবে। যা এটিকে এই অঞ্চলের অন্যতম প্রধান মহিলা ফুটবল ইভেন্টে পরিণত করছে। দক্ষিণ এশিয়ায় নারী ফুটবলের বিকাশ ও প্রচারে এই প্রতিযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।’
ওএফ

আপনার মূল্যবান মতামত দিন: