ব্যংককের আল পাইন মাঠে অর্পিতদের অনুশীলন
ব্যাংককে আসার পর থেকেই বিশ^মানের এই মাঠেই অনুশীলন করছেন আফঈদা খন্দকার, অর্পিতা ব্বিাসরা। যার পুরো সুবিধা আদায় করে নিয়েছিলেন সাগরিকা। বুধবার অ-২০ এশিয়া কাপের অভিষেকে থাইল্যান্ডের বিপক্ষে জোড়া গোল করেন মোসাম্মৎ সাগরিকা।
আধুনিক ফুটবলে কেবল পায়ের জাদু নয়, মাঠের মান এবং উন্নত প্রশিক্ষণ সুবিধাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের রাম ইনথ্রা এলাকায় অবস্থিত অ্যালপাইন ফুটবল ক্যাম্প ট্রেনিং সেন্টারটি বর্তমানে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম সেরা ফুটবল মাঠ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। লকার রুম থেকে সবুজ ঘাস, ব্যাংককের অ্যালপাইন ফুটবল ক্যাম্পটি প্রিমিয়ার লিগ মানের।
বিশ্বখ্যাত ক্লাব লিভারপুল ও লেস্টার সিটির মতো দলগুলোর প্রাক-মৌসুম অনুশীলনের জন্য এই ভেন্যুটি এখন ফুটবল প্রেমীদের আগ্রহের কেন্দ্রে। প্রাকৃতিক ঘাস ও আšন্তর্জাতিক মান, অ্যালপাইন ক্যাম্পের মূল আকর্ষণ হলো এর শতভাগ প্রাকৃতিক ‘পাসপালাম’ ঘাসের মাঠ। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের স্টেডিয়ামগুলোর আদলে তৈরি এই ঘাস খেলোয়াড়দের পায়ের গোড়ালি বা হাঁটুর চোটের ঝুঁকি কমিয়ে দেয়। কি নেই এখানে। যেন রয়েছে আধুনিক জিমনেসিয়াম, সুইমিং পুল এবং পেশাদার লকার রুম। খেলোয়াড়দের রিফ্রেশমেন্টের জন্য ইনডোর ও আউটডোর ক্যাফেটেরিয়া রয়েছে, যেখানে স্বাস্থ্যকর খাবার ও কফি পাওয়া যায়।
ব্যাংককে আসার পর থেকেই বিশ^মানের এই মাঠেই অনুশীলন করছেন আফঈদা খন্দকার, অর্পিতা ব্বিাসরা। যার পুরো সুবিধা আদায় করে নিয়েছিলেন সাগরিকা। বুধবার অ-২০ এশিয়া কাপের অভিষেকে থাইল্যান্ডের বিপক্ষে জোড়া গোল করেন মোসাম্মৎ সাগরিকা। ৬৯ মিনিট পর্যন্ত তার গোলেই লিড ধরে রেখেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তায় ৩-২ ব্যবধানে হার মানতে হয়েছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিদের। ম্যাচ শেষে সাগরিকা বলেন, ‘থাইল্যান্ড শক্তিশালী দল। আমরা প্রথমার্ধে ভালো খেলেছি, কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে সেই ধারাটা ধরে রাখতে পারিনি। একটি গোল হজম করার পর আমাদের মানসিকতায় প্রভাব পড়ে। তারপরও আমরা চেষ্টা করেছি, কিন্তু সফল হইনি।’
ব্যক্তিগত অর্জন নিয়ে সন্তুষ্ট এই তরুণ ফরোয়ার্ড। অভিষেক ম্যাচেই জোড়া গোল করে এশিয়ার মঞ্চে নিজের সামর্থ্যরে জানান দিয়েছেন তিনি। বৃহস্পতিবার অনুশীলন শেষে সাগরিকা বলেন, ‘দল আমাকে দারুণ সাপোর্ট করেছে। সামনে আমরা আরও ভালো করার চেষ্টা করব।’ সহকারী কোচ আবুল হোসেন বলেন, ‘৭০ মিনিট পর্যন্ত আমরা এগিয়ে ছিলাম। ছোট কিছু ভুলের কারণেই ম্যাচটি হাতছাড়া হয়েছে। এমন ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনে ভালো করতে হবে।’ হারলেও এই ম্যাচ থেকে ইতিবাচক দিক খুঁজে নিচ্ছে বাংলাদেশ শিবির। বিশেষ করে সাগরিকার পারফরম্যান্স আগামী ম্যাচগুলোর জন্য আশার আলো জাগাচ্ছে।
ওএফ

আপনার মূল্যবান মতামত দিন: