[email protected] শুক্রবার, ১৯শে জুন ২০২৬
৫ই আষাঢ় ১৪৩৩

টানা ১০ ম্যাচ গোলহীন রোনালদোকে নিয়ে কী বললেন পর্তুগিজ কোচ

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: ১৮ জুন ২০২৬ ১০:০৬ এএম

হতাশায় বিশ্বকাপ শুরু করলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। ডিআর কঙ্গোর কাছে আটকে গেলো তার দল পর্তুগাল। হোয়াও নেভেসের গোলে লিড পেলেও প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে তা হাতছাড়া করে সেলেকাও। নিষ্প্রাণ রোনালদোর দিনে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পয়েন্ট পেল আফ্রিকান দেশটা।

পিচ স্পর্শ করার আগেই রেকর্ড বুকে। সবচেয়ে বেশি বয়সে আউটফিল্ড প্লেয়ার হিসেবে স্টার্টিং ইলেভেন। গড়েছেন আরও এক মাইলফলক। মেসির পরে মাত্র দ্বিতীয় ফুটবলার হিসেবে খেলছেন নিজের ষষ্ঠ বিশ্বকাপ।

টেক্সাসে ঘুরেফিরে ক্যামেরার লেন্স তাই বারবার ওই একদিকে। ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। তবে ডি আর কঙ্গোর বিপক্ষে প্রথম লিডটা সিআর সেভেন নন, আসলো হোয়াও নেভেসের দারুণ এক হেডে। অ্যাসিস্টে ইন ফর্ম পেদ্রো নেতো।

কঙ্গোর ফাইভ ম্যান লাইনের ডিফেন্সের সামনে খুব বেশি সুযোগ তৈরি করা যে সম্ভব নয় সেটা বোঝা গেছে আগেই। সেলেকাওরা তাই বেছে নেয় অ্যারিয়াল অ্যাটাক। ফুল ব্যাকদের কাজে লাগিয়ে একের পর এক ক্রস, যদিও সাফল্য মেলেনি আর।

এদিন না থেকেও ছিলেন প্রয়াত দিয়াগো জোতা। স্ট্যান্ডে উপস্থিত ছিলেন তার বাবা-মা। ম্যাচের আগে দেয়া হয়েছে ট্রিবিউট। ইনজুরি থেকে পুরোপুরি সেরে না ওঠায় একাদশে ছিলেন না রুবেন দিয়াস। অভিজ্ঞ সেন্টার ব্যাকের অনুপস্থিতি ভোগায় পর্তুগালকে। নেভেসের লিড হারায় প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে।

আর্থার মাসুয়াকুর করা ক্রসে গোল ইওয়ান উইসার। কঙ্গোর ইতিহাসে এটাই প্রথম বিশ্বকাপ গোল। স্তব্ধ-বিদ্ধস্ত গোটা সেলেকাও শিবির।
পুরো ম্যাচে কোনো শটই নিতে পারেননি পর্তুগিজ সুপারস্টার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। যেন তিনি মাঠেই ছিলেন না।

ম্যাচে মোট ২৫ বার বলে টাচ করলেও ২১টি সহায়ক পাস দেন রোনালদো। যার মধ্যে ১৬টিই ছিল ব্যাক পাস। দুইবার ফুট শট নিলেও সেগুলো ছিল গোলবারের বাইরে। গোলমুখে কোনো শট নিতে পারেননি তিনি। ফলে স্বাভাবিকভাবেই রোনালদোর এমন পারফরম্যান্সে হতাশ পর্তুগাল ভক্তরা।

তবে বড় টুর্নামেন্টে টানা ১০ ম্যাচ গোলহীন পর্তুগালের মহাতারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর এমন বিবর্ণ পারফরম্যান্সের পরও ৪১ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ডের ওপর পূর্ণ আস্থা রাখছেন কোচ রবার্তো মার্তিনেজ।

দলের অধিনায়ককে পুরোপুরি আগলে রেখে তিনি বলেছেন, 'যখন আপনার গোলের প্রয়োজন, তখন বিশ্ব ফুটবলের সেরা গোলদাতাকে মাঠ থেকে তুলে নেয়ার কোনো মানেই হয় না। আমাদের জন্য এই ধরনের মুহূর্তে ডি-বক্সে ক্রিশ্চিয়ানোর অভিজ্ঞতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সে যেভাবে প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের নিজের দিকে টেনে রাখে এবং এর ফলে সৃষ্টি হওয়া ফাঁকা জায়গাগুলো আমরা যেভাবে ব্যবহার করতে পারি, তা দলের জন্য ভীষণ দরকারি।'

ওএফ

আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

সম্পর্কিত খবর